আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে বড় কূটনৈতিক অগ্রগতি। ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র আপাতত ২ সপ্তাহের ceasefire-এ সম্মত হয়েছে, ফলে সাময়িকভাবে থামছে হামলা ও পাল্টা হামলার পর্ব। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল ও বিশ্ববাজারে।
এই সমঝোতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো হরমুজ প্রণালী নিরাপদভাবে খুলে রাখা, যাতে আন্তর্জাতিক তেলবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হতে পারে। সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছিল, যা বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় প্রভাব ফেলেছিল।
হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, এই ১৪ দিনের বিরতির মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা আরও এগিয়ে নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ইসরায়েলও ইরানের উপর বিমান হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে রাজি হয়েছে। তবে এই ceasefire লেবানন ফ্রন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ২ সপ্তাহই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যদি আলোচনায় অগ্রগতি হয়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির রাস্তা খুলতে পারে। আর তা না হলে, সংঘাত আবারও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই সাময়িক যুদ্ধবিরতি বিশ্ব রাজনীতি, তেলের বাজার এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য আগামী কয়েক দিনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
মতামত লোড হচ্ছে...